২৩শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

নেত্রকোনায় ঈদের জামাত শেষে মারামারি, আহত ৭

editor
প্রকাশিত মার্চ ২২, ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ণ
নেত্রকোনায় ঈদের জামাত শেষে মারামারি, আহত ৭

Manual7 Ad Code

নেত্রকোনায় ঈদের জামাত শেষে মারামারি, আহত ৭

শেখ স্বপ্না শিমুঃ নেত্রকোনার মদনে পূর্ব শত্রুতার জেরে ঈদের জামাত শেষে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত নারীসহ সাতজন আহত হয়েছেন। শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার পরশখিলা গ্রামে এই মারামারির ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন: সোনামিয়া (৫০), আব্দুল হেকিম (৭০), সোনা মিয়ার ছেলে মাসুম মিয়া (১৬),  আজিদা ডাক্তার (৫৫), সোনা মিয়ার মা খোদেজা খাতুন (৮৫)।অপরদিকে আবু তালেবের পক্ষের আহত হয়েছেন আবু লায়েস মিয়ার স্ত্রী জেসমিন আক্তার ও শাকিব। আহতরা সবাই উপজেলার মদন সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মদন উপজেলার পরশখিলা গ্রামের আবু তালেব গ্রুপ ও সোনামিয়া গ্রুপের মধ্যে ৩/৪ মাস আগে ঝগড়া হয়। পরে স্থানীয় লোকজন সালিশ বৈঠক করে ঝগড়ার মীমাংসা করে দেয়।

Manual4 Ad Code

কিন্তু সেই শত্রুতা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। গত ১৯ মার্চ আবু তালেবের পক্ষে শাকিব নামে এক যুবক সোনা মিয়ার ছেলে নাঈমকে মারধর করতে চায়।পরে স্থানীয় লোকজন শাকিবকে ফিরিয়ে দেয়ায় তারা নাঈমকে মারধর করতে না পেরে ঈদের মধ্যেই তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন। এরই জেরে আজ ঈদের দিন আবু তালেবের লোকজন ঈদগাহ মাঠ থেকে নামাজ শেষ করেই সোনা মিয়ার বাড়িতে হামলা করে। এ সময় সোনা মিয়া ও তার বৃদ্ধ মাসহ উভয় পক্ষের সাতজন আহত হন।

Manual7 Ad Code

আহত সোনা মিয়ার ছেলের শামীম জানান, ৩/৪ মাস আগে আমার ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অপবাদ দেয় আবু তালেবের ছেলে। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজন সালিশ বৈঠক করে ঝগড়া মীমাংসা করে দেন।

Manual3 Ad Code

কিন্তু ২৯ রোজায় আবু তালেবের লোকজন কোনো ঘটনা ছাড়াই আমার ভাই নাঈমকে মারধর করতে আসেন। পরে উপস্থিত লোকজন তাদের ফিরিয়ে দেন। আজ ঈদের নামাজ শেষ করে এসেই আমাদের বাড়িঘরে হামলা করেন তারা। ৮০ বছর বয়সী আমার বৃদ্ধ দাদিকেও তারা মারধর করেন।

Manual7 Ad Code

এ নিয়ে আবু তালেবের ছেলে রনি জানান, সোনা মিয়ার সঙ্গে আমাদের কোনো ঝামেলা নেই। শাকিব নামে একজনের সঙ্গে সোনা মিয়ার ছেলের ঝামেলা হয়েছিলো। পরে তাদের মধ্যে একটু মারামারির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আমার এক খালাও আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে মদন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দেবাংশু সরকার বলেন, ‘এমন কোনো খবর পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।