১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

সিংড়ায় প্রাইভেটকার তল্লাশী: গাইবান্ধার প্রকৌশলীর কাছ থেকে ৩৭ লাখ টাকা জব্দ

বাংলা বারুদ
প্রকাশিত মার্চ ১৪, ২০২৫, ০৭:১০ অপরাহ্ণ
সিংড়ায় প্রাইভেটকার তল্লাশী: গাইবান্ধার প্রকৌশলীর কাছ থেকে ৩৭ লাখ টাকা জব্দ

Manual1 Ad Code

সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি::

নাটোরের সিংড়ায় একটি সন্দেহভাজন প্রাইভেটকার তল্লাশী চালিয়ে গাইবান্ধা জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডির) নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ছাবিউল ইসলামের কাছ থেকে ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকা জব্দ করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে টাকা বহন কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটি জব্দসহ ওই প্রকৌশলীকে থানা হেফাজতে নেয়া হয়।

শুক্রবার বিকেলে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্তের জন্য ডাকলে যেকোনো সময় হাজির হতে বাধ্য থাকবেন তিনি।

Manual2 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার সময় নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের চলনবিল গেট এলাকায় পুলিশের নিয়মিত চেকপোষ্টে তল্লাশীকালে এই টাকা ও গাড়ি জব্দ করা হয়। তবে ওই নিবার্হী প্রকৌশলীকে আটক না করে টাকার উৎস জানতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিংড়া থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওই নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ছাবিউল ইসলাম রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে গাইবান্ধা জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডির) নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন।

 

সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আসমাউল হক এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রতিদিনের মত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের চলনবিল গেট এলাকায় চেকপোষ্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশী কার্যক্রম চালায় পুলিশ।

Manual4 Ad Code

 

এসময় গাইবান্ধা থেকে রাজশাহীগামী একটি সাদা রংয়ের প্রাইভেটকারকে থামানোর জন্য সিগন্যাল দেয়া হয়। পরে ওই প্রাইভেট কার তল্লাশীকালে ওই টাকার সন্ধ্যান পাওয়া যায়। পরে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ একরামুল হক, সিংড়ার ইউএনও মাজহারুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (সিংড়া সার্কেল) সনজয় কুমার সরকার, নাটোর সদর থানার ওসি মাহাবুর রহমানসহ সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টিম ঘটনাস্থলে যান এবং অভিযান পরিচালনা করেন।

Manual7 Ad Code

 

প্রাইভেট কার তল্লাশী করে একটি ব্যাগ থেকে ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকা পান। বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় টাকা ও প্রাইভেটকারটি জব্দ করে ওই প্রকৌশলীকে থানা হেফাজতে নেয়া হয়।

 

ওসি আরও বলেন, এলজিইডির প্রকৌশলী পরিচয়দানকারী ছাবিউল ইসলাম পুলিশকে প্রথম দিকে জানিয়েছিল তার কাছে জমি বিক্রির ৩০ লাখ আছে। পরে গননা করে আরো ৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকা বেশি পাওয়া যায়। বিষয়টি উদঘাটন করার জন্য দুদককে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্তের জন্য ডাকলে যেকোনো সময় হাজির হতে বাধ্য থাকবেন তিনি।

 

এ ব্যাপারে এলজিইডির প্রকৌশলী পরিচয়দানকারী ছাবিউল ইসলাম বলেন, গাইবান্ধা জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডির) নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে তিনি কর্মরত আছেন। জমি বিক্রির বৈধ টাকা গাইবান্ধা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।