২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১১ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

অমর একুশে বইমেলা শিশুপ্রহরের রাঙা সকাল, শিশুদের রঙ-তুলিতে রঙিন বাংলা একাডেমি

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ণ
অমর একুশে বইমেলা শিশুপ্রহরের রাঙা সকাল, শিশুদের রঙ-তুলিতে রঙিন বাংলা একাডেমি

Manual7 Ad Code

অমর একুশে বইমেলা শিশুপ্রহরের রাঙা সকাল, শিশুদের রঙ-তুলিতে রঙিন বাংলা একাডেমি

শেখ স্বপ্না শিমুঃ অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনের পর প্রথম শিশুপ্রহর উপলক্ষে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ। শিশুদের প্রাণের মেলায় অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে আয়োজিত হয়েছে বিশেষ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। সকাল থেকেই ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের কলকাকলিতে মুখর ছিল একাডেমির সবুজ চত্বর।

Manual7 Ad Code

প্রতিযোগিতাটি ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’- এই তিনটি বিভাগে বয়সভিত্তিকভাবে ভাগ করা হয়। নির্ধারিত বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে সাদা কাগজে ফুটে ওঠে শিশুদের কল্পনার জগৎ। কেউ মনোযোগ দিয়ে এঁকেছে বায়ান্নর শহীদ মিনার, কেউবা এঁকেছে সবুজ প্রকৃতি কিংবা বীরত্বগাথা মুক্তিযুদ্ধের কোনো দৃশ্য। অনেক শিশুর তুলিতে উঠে এসেছে তাদের স্বপ্নের আগামীর বাংলাদেশ।

Manual5 Ad Code

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিশা আনজুম জানায়, ‘আমি শহীদ মিনার আর অনেকগুলো ফুল এঁকেছি। আমার ছবি আঁকতে খুব ভালো লাগে, আর মেলায় এসে সবার সাথে আঁকতে পেরে আমি খুব খুশি।’

তবে এবারের আয়োজনে বড় ধরনের কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। বিগত বছরগুলোতে মেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল আলাদা ‘শিশুচত্বর’ এবং জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান ‘সিসিমপুর’। কিন্তু এবার মেলা প্রাঙ্গণে সিসিমপুরের ইকরি, হালুম কিংবা টুকটুকিদের উপস্থিতি নেই। আলাদা কোনো সুনির্দিষ্ট শিশুচত্বর না থাকায় অনেক অভিভাবক কিছুটা বিস্ময় ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।

Manual7 Ad Code

অভিভাবক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বাচ্চারা মেলায় আসার প্রধান আনন্দই পায় সিসিমপুর দেখে। এবার সেটা না থাকায় ওরা একটু মন খারাপ করেছে। তবে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজনটা ভালো ছিল, অন্তত এর মাধ্যমে ওরা সৃজনশীল কাজে যুক্ত হতে পেরেছে।’

Manual2 Ad Code

মেলার সংশ্লিষ্টরা জানান, বিন্যাসগত কিছু পরিবর্তনের কারণে এবার চত্বরের ধরনে ভিন্নতা এসেছে। তবে শিশুদের উৎসাহে কোনো ভাটা পড়েনি। সিসিমপুর বা আলাদা চত্বর না থাকলেও সকাল থেকেই বাবা-মায়ের হাত ধরে মেলায় আসা শিশুদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। চিত্রাঙ্কন শেষে অনেককেই দেখা গেছে নতুন বইয়ের ঘ্রাণ নিতে স্টলগুলোতে ভিড় জমাতে।