১লা ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১০ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি

ইটভাটা মালিকদের অভিযোগ অস্বচ্ছ নীতি

বাংলা বারুদ
প্রকাশিত অক্টোবর ২১, ২০২৫, ০৮:৫০ অপরাহ্ণ
ইটভাটা মালিকদের অভিযোগ অস্বচ্ছ নীতি

Manual7 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি।

Manual7 Ad Code

সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধা জেলাতেও ইটভাটা মৌসুমের শুরুতে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ভাটা মালিকদের কোনো প্রকার সতর্কতা বা নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই ভাটা চালু করার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু মৌসুমের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে হঠাৎ করেই অর্থদণ্ড আরোপ, ভাটা বন্ধ কিংবা ভেঙে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের বহু ইটভাটা অনুমোদনবিহীন এবং আইনসিদ্ধ নয়। তবে সিজনের শুরুতে যথাযথ তদারকি না করে এসব ভাটা সচল রাখা হয়। পরে হঠাৎ করে অভিযান চালানো হয় এবং মোটা অঙ্কের জরিমানার পরও অল্প সময়ের মধ্যেই আবারও ভাটা চালু হয়ে যায়। এ অবস্থায় শুধু মালিক নয়, কর্মচারী ও শ্রমিকরাও অনিশ্চয়তায় পড়ে থাকেন।

Manual3 Ad Code

জেলার একাধিক ভাটা মালিক অভিযোগ করে বলেন, সিজনের শুরুতেই যদি পরিবেশ অধিদপ্তর স্পষ্টভাবে জানাত কোন ভাটা বৈধ আর কোনটি অবৈধ, তাহলে তারা অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি এরিয়ে চলতে পারতেন।

Manual2 Ad Code

মৌসুম শেষে এমন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ায় তারা বিপুল লোকসানে পড়েন, যা আর পুষিয়ে ওঠা সম্ভব হয় না। সচেতন নাগরিকদের মতে, এ ধরনের আচরণ স্বচ্ছ নীতি বহির্ভূত।

তাদের দাবি, মৌসুম শুরু হওয়ার আগে নিয়মিত পরিদর্শন ও অনুমোদন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। অবৈধ ভাটাগুলো শুরুতেই বন্ধ করে দিলে পরবর্তীতে হঠাৎ দমন-পীড়নের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতো না।

Manual8 Ad Code

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরিবেশ রক্ষায় আইন মানা যেমন জরুরি, তেমনি ব্যবসায়ীদের জন্যও পূর্বে অবহিতকরণ ও স্বচ্ছ নীতি থাকা প্রয়োজন। অন্যথায় একদিকে পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্য ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে ভাটা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হাজারো শ্রমিকও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছেন।