স্টাফ রিপোর্টার
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের টঙ্গী পূর্ব থানার এসআই বায়েজিদ নেওয়াজের বিরুদ্ধে মামলার বাদী মিজানুর রহমান ঘুষ গ্রহণ সংক্রান্তে মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ না করা স্বত্বেও মিথ্যা ভিত্তিহীন অপপ্রচার করার অভিযোগ উঠেছে।
গত ০৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে মরকুন এলাকায় চুরির ঘটনা সংক্রান্তে ঘুষ বাণিজ্যে মিথ্যা অপপ্রচার করা হয়েছে।
জানা যায়, মামলার বাদী মিজানুর রহমানের জায়গায় একটি হাফ বিল্ডিং নির্মাণাধীন বাড়িতে টঙ্গী পূর্ব থানার মরকুন মৌজায় ০৫ কাঠা জায়গায় নির্মিত বাউন্ডারী দেওয়াল ও হাফ বিল্ডিং ভেঙ্গে ইটসহ ভিতের থাকা ১০ হাজার টাকার ইট, ০৫ টন লোহার রড ও ৫০ হাজার টাকার সিমেন্টসহ সর্বমোট ৩০ লক্ষ টাকার মালামাল অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি/ব্যক্তিরা চুরি করে নিয়ে যায় ।
এঘটনায় মিজানুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও কোন আসামীর নাম উল্লেখ না করায় বাদী ও স্থানীয়রা দোষীদের সনাক্ত করতে না পারায় তদন্ত কার্যক্রম বিঘ্নিত ঘটে।
এই এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গড়িমসি ও ঘুষ নেয়ার অভিযোগ না করা স্বত্বেও একটি চক্র পুলিশকে নিষ্ক্রিয় করতে অপপ্রচার চালায়।
এমনকি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এসআই বায়েজিদকে হেয় প্রতিপন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে বাদী “স্বর্ণলংকার, নগদ ৫০ হাজার টাকা, বিভিন্ন মূল্যবান আসবাবপত্র, পোশাক-আশাক, ইলেকট্রনিকস সামগ্রীসহ প্রায় ১০ লক্ষ টাকার সম্পদ” লুট হওয়ার বিষয়ে এজাহারে উল্লেখ না করা স্বত্বেও কতিপয় অনলাইনে ভিত্তিহীন তথ্য তুলে ধরে। পর্যাপ্ত স্বাক্ষ্য প্রমাণাদি ব্যতীত কোন নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি না করা সংক্রান্তে বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি’র নির্দেশনা রয়েছে।
একারণে এসআই বায়েজিদ এঘটনায় দোষীদের সনাক্তকরণে তথ্য প্রযুক্তিসহ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টায় মামলা রুজু করতে বিলম্ব হয়।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পুলিশের বিরুদ্ধে কোন বক্তব্য না দেওয়া স্বত্বেও এই অপপ্রচার করায় অপপ্রচারকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এসংক্রান্তে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওয়াহিদুজ্জামান জানান, এঘটনায় মামলা রুজু করা হয়েছে। দোষীদের সনাক্তকরণ ও গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
মামলার বাদী এসআই বায়েজিদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ সংক্রান্তে লিখিত বা মৌখিক কোন অভিযোগ করে নি।