নিজস্ব প্রতিবেদক
টঙ্গী মাজার বস্তি যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী বিএনপির নেতা শাহাবুদ্দিন ওরফে দাবারু ও তার সহযোগীদের অত্যাচার অতিষ্ট গার্মেন্টস শ্রমিক ও নির্ণয়ের মানুষ।
প্রতিনিয়ত গার্মেন্টস কর্মীরা অন্তত ১৬ হাজার শ্রমিক অতিষ্ঠ ও জিম্মি অত্যাচার। টঙ্গী বাজার এলাকা বাজারের সভাপতি হয়ে প্রতিনিয়ত তার দলের প্রত্যেক দোকান থেকে ২৩০ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হয় শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্ব। একাধিক মামলার আসামি সাজা প্রাপ্ত এখনো দুয়ারাছো আর বাইরে শাহাবুদ্দিন এলাকার মানুষের প্রশ্ন কার জোরে দরাছো আর বাইরে এখনও ।
বিএনপি নেতাদের নাম ভাঙিয়ে চলছে রমরমা মাদকের ব্যবসা ও খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় টঙ্গী পশ্চিম থানা প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে চালাচ্ছে। শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে টঙ্গী মাজার বসেতে হাত বাড়ালে বাড়ালেই মাদক খুব সহজে পাওয়া যায়। নেতৃত্ব কিশোরগঞ্জ তৈরি এবং তাদের টঙ্গী বাজার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা তোলা। সরকারি জায়গার উপরে অস্থায়ী থাকতে কার্যালয় তৈরি করে তুলেছেন শাহাবুদ্দিন।
২৩ টি মামলা সাজাপ্রাপ্ত আসামি কেনও ধরছে না প্রশাসন৷ তার নিজের এলাকার যুবকদের হাতে মাদক বিক্রি করা হয়।প্রতিনিয়ত তার এলাকার পোলাপানে অত্যাচার অতিষ্ঠ সাধারণ দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ। চাঁদা না দেওয়া হলেও বিভিন্ন ধরনের হুমকি সহকারে পান্নাসে হুমকি দেওয়া হয় কেউদের বিরুদ্ধে কথা বললে তার উপর নেমে আসে অত্যাচারের ঝর।
বিএনপি’র পরিচয় দিয়ে দখলবাজ সহ সাধারণ মানুষকে চিনবে অতিষ্ঠ বাজার বস্তিতে মাদকের ছড়াছড়িসহ কিশোরগঞ্জ নেতৃত্বে দিয়ে থাকে। কিশোরগঞ্জ মোবাইল ছিনতাই ও চাঁদাবাজসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করে থাকে।
মাজার বস্তি এলাকায় নিজের অপরাধ সাম্রাজ্য ঘাটি তৈরি করেন প্রতি সপ্তাহ রবিবারে পশু পাখির হাট বসিয়ে সেসব দোকানদার কাছ থেকে জিম্মি করে টাকা নেওয়া হয়।রাত হলেও তার অপরাধের সম্রাজ্য কার্যক্রম শুরু হয় সাধারণ মানুষের একটি প্রশ্ন যুবদলের নেতা শাহাবুদ্দিনের অপরাধ সাম্রাজ্য থামাবে কে।