ডেস্ক রিপোর্ট
ভোলার মনপুরায় জলদস্যুতার মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর ২০২৫) সন্ধ্যা ৮টার দিকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই নাম্বার আসামি ইসমাইল ওরফে ইউসুফ মুন্সী (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের মৃত সাত্তার মুন্সীর ছেলে এবং বিএনপি’র সাবেক প্রচার সম্পাদক।
থানা সূত্রে জানা গেছে, মনপুরা থানায় দায়ের করা মামলা নং-১ (ধারা ৩৯২ ও ৩৯০ পেনাল কোড) জলদস্যুতার মামলায় মোট চারজন আসামি ছিলেন।
তারা হলেন ১. নোমান মুন্সী ২. ইসমাইল ওরফে ইউসুফ মুন্সী ৩.কিরণ ডালি ৪. মোহাম্মাদ হেলাল ইসমাইল ওরফে ইউসুফ মুন্সী (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের মৃত সাত্তার মুন্সীর ছেলে এবং বিএনপি’র সাবেক প্রচার সম্পাদক। থানা সূত্রে জানা গেছে, মনপুরা থানায় দায়ের করা মামলা নং-১ (ধারা ৩৯২ ও ৩৯০ পেনাল কোড) দস্যুতার মামলায় মোট চারজন আসামি ছিলেন।
তারা হলেন ১. নোমান মুন্সী ২. ইসমাইল ওরফে ইউসুফ মুন্সী ৩. কিরণ ডালি ৪. মোহাম্মাদ হেলাল এদের মধ্যে শুক্রবার রাতে এসআই ইব্রাহিম হোসেন নয়ন এর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযানে সার্বিক দিক নির্দেশনা দেন মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ আহসান কবির।
গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জানিয়েছে, দস্যুতার ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদেরও খুঁজে বের করতে তৎপরতা চলছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। মনপুরা থানার ওসি আহসান কবির বলেন, দস্যু ও অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, এর আগে ওসি আহসান কবিরের নেতৃত্বে মনপুরা থানার পুলিশ দুটি পৃথক গণধর্ষণ মামলার মোট দশজন আসামির মধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া একটি চাঁদাবাজি মামলার আসামিসহ অসংখ্য বড় মামলার আসামিদের সফল অভিযানে আটক করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। তার নেতৃত্বে মনপুরার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে স্বাভাবিক রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।