২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

বরিশালে ভুয়া ডিজিএম পুলিশের হাতে গ্রেফতার।

বাংলা বারুদ
প্রকাশিত আগস্ট ২৩, ২০২৫, ০৬:২১ অপরাহ্ণ
বরিশালে ভুয়া ডিজিএম পুলিশের হাতে গ্রেফতার।

Manual2 Ad Code

মোঃইমরান:স্টাফ রিপোর্টার

বরিশাল বিজিএফআই এর পরিচয় দিয়ে কারারক্ষী পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন মেহেদী নামে ভুয়া ডিজিএফআই এর এক প্রতারক, তার প্রতারনার বিস্তার বা নেটওয়ার্ক এত বিশাল যে সে অকপটে নিজেকে ডিজিএফআই চরিচয় দিয়ে থাকতেন।

Manual3 Ad Code

ডি জি এফ আইর মত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনটেলেজেন্সির সংস্থার যা কিনা দেশের সামরিক বাহিনীর উপরে নজর রাখেন। আর সেই সংস্থার নাম ভাঙিয়ে তিনি অপকর্ম করে আসছে বরিশাল বিভাগে দীর্ঘদিন।বিভিন্ন

Manual3 Ad Code

মহলের সূত্র থেকে জানা যায় গৌরনদীর এক গরু ব্যাবসায়ী ভোল শাহার কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকা ডি জি এফ আই এর পরিচয় দিয়ে ও তাকে ভয়ভিতি দেখিয়ে টাকা হাতি নিয়েছেন ওই গরু ব্যাবসাযীর কাছ থেকে।এইতো গেল ভুয়া ডি জি এফ আ ইয়ের একটা টা অপকর্ম কথা ৫ই আগস্টে ছাত্র জনতা গণরোসে পর হাসিনা সরকাররের পতনহলে তার অপকর্মের সিরিস্তি দিনে দিনে আরো বাড়িয়ে দেন।

আরো একটি সুত্রেঃ জানা যায় বরিশাল এক নং সিএন্ডবিরপুল এলাকার বসবাস কারী স্থায়ী বাসিন্দা সুলতান আহমেদের বসত ঘরে ও তার একটি টিম নিয়ে হানা দেয় তাকে না পেয়ে সুলতান আহমেদের স্ত্রীকে ডি জি এফ আই এর পরিচয় দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং সুলতানকে গুম করার হুমকি দিয়ে আসেন ওই সময় সুলতানের স্ত্রীর জানতে চাইলে তিনি আওয়ামী লীগ এক নেতাকে সুলতান মামলায় জরালেল এই বিষয় নিয়ে সুলতানের সাথে ডিসকাস করার জন্য গিয়েছিলে বলে জানায়।

Manual3 Ad Code

পরে সুলতান তার নাম্বার সংগ্রহ করে ফোন দিলে সুলতান আহমেদকে বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি দেখিয়ে তার কাছে একই স্টাইলে চাঁদা দাবি করেন।

Manual2 Ad Code

পরে সুলতান আহমেদ বরিশাল মডেল কোতোয়ালি থানার ওসি মিজানুর রহমান রিমুকে ফোনে এ বিষয়ে অনেকবার জানালেও তিনি এই প্রতারকের বিষয় কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো সাফাই গাইতে শুরু করেন। পরে সুলতান গোপন সূত্র জানতে পারে এই কোতোয়ালী থানার ওসি মিজানুর রহমান রিমুর সাথে তার একটি সখ্যতা রয়েছে।এই মেহেদী বরিশালে বিভিন্ন হোটেলে সুন্দরী মেয়ে দিয়ে ব্যাবসায়ীদে পটিয়ে হোটেল রুমে নগ্ন ভিডিও করে হানিট্রাফ করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে,এই চিটার মেহেদীর সদরদপ্তর হিসেবে পরিচিত কিং ফিশার হোটেল ও হোটেলের ম্যানেজারের সাথে সখ্যতা করে গড়ে তুলেছে এক বিশাল প্রতারক চক্রের নেটওয়ার্ক আর এই চক্রের সাথে জড়িত আছে কিছু পুলিশ আর বরিশালে লোকাল আন্ডার মেট্রিক কিছু ছ্যাঁচড়া সাংবাদিক,প্রমাণীয় কিছু গোপন সূত্রে জানা যায়।

মেহেদী ও অটো ফারুকের নেতৃত্বে বরিশালে চারটির বেশি গুরুপ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বরিশাল বিভাগে এই গ্রুপের সাথে কিছু সুন্দরী মেয়েদেরও সখ্যতা রয়েছে বলে গোপন সূত্রে জানা যায়। কখনো সাংবাদিক কখনো পুলিশ কখনো র্যাব কখনো ডিবি কখনো ডি জি এফ আই কখনো সিটিএসবি পরিচয় এরা এই অপকর্মগুলো করে আসছেন।কখনো ফ্ল্যাট বাসা কখনো হোটেলে এইসব কাজ পরিচালনা করে আসছেন আজকে প্রতারণা করতে গিয়ে মেহেদী জেলখানাতে কারারক্ষী পুলিশের হাতে ধরা খেলেও এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে আছে অটো ফারুক ও তার সাঙ্গবাঙ্গরা তাই আইন-শৃঙ্খলা বহিনির একটু সতর্ক অবস্থায় থাকলেই এদেরকে ধরা সম্ভব বলে জানিয়েছে স্থানীয় নেটিজেনরা