১লা ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১০ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি

কে? এই জানু ওরফে (সানু) ইয়াবা সম্রাট সিলেট মহানগর থেকে জেলায় পরিচিতি লাভবান

বাংলা বারুদ
প্রকাশিত মে ১, ২০২৫, ০৩:২৬ অপরাহ্ণ
কে? এই জানু ওরফে (সানু) ইয়াবা সম্রাট সিলেট মহানগর থেকে জেলায় পরিচিতি লাভবান

Manual6 Ad Code

ক্রাইম রিপোর্টার-সিলেট:

ফের জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সিলেট মহানগর থেকে হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার জেলায় আবারো শীর্ষে জুয়াড়ী, ইয়াবা ব্যবসা ও নারী পাচারকারী সম্রাট জানু ওরফে (সানু)

 

Manual8 Ad Code

জানুর বাড়ি বিয়ানীবাজারে হলেও সারা সিলেট জুড়ে রয়েছে তার অপরাধ অপকর্ম।সিলেটের বিয়ানীবাজারের বালিঙ্গা গ্রামের মৃত :আকদ্দছ আলীর ছেলে জানু মিয়া ওরফে সানু।চাল চলনে ভদ্র বেশি জানু মিয়া মূল পেশাই হলো ইয়াবা ব্যবসা , জুয়া, নারী নিয়ে অবৈধ রাত্রি যাপন,

 

বাউল গানের নামে আসর বসিয়ে রমরমা ইয়াবা বিক্রি করে এবং বাউল গানের মঞ্চ শেষে গভীর রাতে মহিলা শিল্পী নিয়ে বিভিন্ন হোটেলে রেস্ট হাউজে অবৈধ কার্যকলাপে লিপ্ত হয় জানু;আরো জানা যায় মহিলা শিল্পীদের বিভিন্ন স্থান থেকে অন্য স্থানে টাকার বিনিময়ে পতিতা সাজিয়ে বিক্রি করে, মহিলা দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে শিল্পপতিদের ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা, বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় জানু প্রতি রাতে গানের আসরে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা মহিলাদের বিলিয়ে কিনে নিয়ে যায় তার আয়ত্তে,এর আগেও বেশকয়েকবার জানু পুলিশের হাতে গেপ্তার হয়েছে।

 

তার বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক মামলা হয়েছে:

Manual7 Ad Code

 

দক্ষিণ সুরমা থানায় মাদক আইনে একটি মামলা (নং২) তার কাছ থেকে ১১৬পিস ইয়াবা উদ্ধার করে দক্ষিণ সুরমা জুই রেস্ট হাউস থেকে গ্রেফতারকরা হয় ওরফে জানু মিয়া (৫৬), ও রাইট হ্যান্ড গোলাপগঞ্জ উপজেলার কোনাগাঁও দরগা বাজারের মৃত: লোকমান মিয়ার ছেলে জুনেদ আহমদ (২০)

 

এছাড়া : সিলেট নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন খাসদবির এলাকা থেকে ১৯০ পিস ইয়াবাসহ ৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই (নি.) অমিত সাহা ও এএসআই (নি.) আল-আমিনসহ এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে খাসদবির এলাকার বড়বাজারগামী রাস্তা থেকে তাদের আটক করে।আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানার মামলা (মামলা নং-২১, তাং-০৮/১২/২০২০ তাং) দায়ের করা হয়

 

২০২৪ ইং জুন মাসে জেল থেকে বেরিয়ে এসে আবারও এই অপকর্ম শুরু করে |

 

ইয়াবা ডাক নাম বাবা:

 

”চল যাই যুদ্ধে” মাদকের বিরুদ্ধে” এই স্লোগান দিয়ে যুদ্ধ ঘোষণার পরও সিলেট নগরীতে হাত বাড়ালেই মিলছে মরণ নেশা ইয়াবা নামক নিষিদ্ধ ট্যাবলেট। মিয়ানমারে উৎপাদিত হয় ইয়াবা । লাল, গোলাপী, খয়েরী রঙের ইংরেজীতে লেখা wy ও R অক্ষর বিশ্ব নন্দিত নাম্বার ওয়ান ড্রাগস হেরোইন সংমিশ্ররনে তৈরী , যা সেবন করার কুফল ২৪-৪৮ ঘন্টা ঘুম আসেনা, খাবার খাওয়া যায় না, বুক ধরফর করে এবং বিভিন্ন অপরাধে লিপ্ত করে শারীরিক মানসিক আধ্যাত্মিক ধীরে ধীরে সেবনের পর নিমিষেই শেষ করে ফেলে একটি সুন্দর ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ ! জানো ওরফে (সানু)

 

স্থানীয়দের অভিযোগে উঠে আসে!

 

Manual1 Ad Code

বারুদ এর প্রতিনিধির অনুসন্ধানে:

খোজ নিয়ে জানা যায়,শুধু ইয়াবা ব্যবসায়ী নয় সে ইয়াবার সম্রাট , অবৈধ নারী নিয়ে মিলামিশা করার ও জুয়া খেলার স্থান বিভিন্ন হোটেল ফ্লাট বাসায় পরিচালনা করে সম্রাট হিসেবে!

 

সিলেট নগরের শাহজালাল উপশহর এলাকাসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে খুচরা বাজারে বিক্রির স্থান ইয়াবা সম্রাট জানু মিয়ার মাসুম আহমদ, সোহেলকে নিয়ে নিজেই সিলেট নগরের উপশহর এলাকায় গড়ে তুলেছে এক ইয়াবা সিন্ডিকেট।একটি নির্দিষ্ট সাইড অর্থাৎ কয়েকটি এলাকা তেররতন, সৈদানিবাগ, সাদারপাড়া,বিলপার,শিবগঞ্জ, লামাপাড়া, এলাকায় খুচরা ও অল্পস্বল্প পাইকারী ইয়াবা বিক্রির দায়িত্ব রয়েছে ডিলার মাসুম সাইফুল।

 

শাহজালাল উপশহর এইচ ব্লক সি ব্লক,ও আই ব্লক,
সিলেট নগরের বন্দরবাজার,জিন্দাবাজার, কালীঘাট, লামাবাজার,স্টেডিয়াম,আম্বরখানা,টিলাগড়, খাদিম, পিরেরবাজার,দাসপাড়া, মেজরটিলা এলাকায় খুচরা ইয়াবা বিক্রি করে জুনেদ আহমদ প্রকাশ রাইট হ্যান্ড ভাগনা জুনেদ|

 

এই ধারাবাহিকতায় ইয়াবা সিন্ডিকেট দিয়ে নিয়মিত পরিচালনা করেছেন ইয়াবা ব্যবসা। গোপন সূত্রে বেরিয়ে আসছে তার সিন্ডিকেটের কিছু নাম ঠিকানা। সরেজমিন অনুসন্ধানী রির্পোটে বেরিয়ে এসেছে নানা অপরাধ অপকর্মের খবর।তবে নগরের প্রত্যেকটা পাড়া-মহল্লায় ইয়াবা পাইকারী দানে বিক্রি করে যাচ্ছে জানুর বড় ছেলে , ইয়াবা সেবনকারীদের হাতে ইয়াবা পৌঁছে দেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

এবং পাইকারী বিক্রির জন্য বড় ডিলার সুনামগঞ্জের মহব্বত পুর গ্রামের আঙ্গুর মিয়া অন্যদিকে জানু মিয়া তার উকিল বাবা এই আত্মীয় সুবাদে নিজের ফ্লাট বাসায় সিলেট নগর উপশহর এইচ এইচ ব্লক দুই নাম্বার রোডের বাসায় গিয়ে মেহমান পরিচয়ে ইয়াবার চালান নিয়ে মালবাহী গাড়ির সাথে জানুর উকিল বাবার ছেলে আঙ্গুর মিয়া সুনামগঞ্জে নিয়ে যায়!

Manual4 Ad Code

 

সুনামগঞ্জ মহব্বত পুর গ্রামের বাসিন্দা আঙ্গুর মিয়ার সম্পর্কে তখুচরা ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে একটি মাদক কারবারি মহিলা ও পুরুষ চক্র।

 

শাহজালাল উপশহর এলাকায় শীর্ষ পর্যায়ের এক মাদক ব্যবসায়ী ও তার সহযোগীদের নাম উঠে এসেছে।

 

স্থানীয় সূএে জানা যায়,সিলেট নগরের বড় বড় মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে তার সম্পর্ক রয়েছে।

 

খুচরা মাদক ব্যবসায়ীরা তার কাছ থেকে মাদক সংগ্রহ করে বিক্রি করে বলে জানা যায়। তিনি হলেন জানু মিয়া প্রকাশ সানু মিয়া,সিলেটে অপরাধ সামাজ্যের এক মহান পুরুষ।

 

 

নেশার বড়ি ইয়াবা পাচারের নতুন পথ হয়ে উঠেছে সিলেট সীমান্ত। জেলার জকিগঞ্জ ও বাল্লা সীমান্তের ওপারে (ভারতের অংশে) গড়ে উঠেছে ইয়াবা তৈরির ছোট ছোট কারখানা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, দুই দেশের সীমান্তে আগে যারা হেরোইন ও ফেনসিডিল আনা-নেওয়া করত, বেশি লাভের আশায় তারা এখন ইয়াবার কারবার করছে। এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে স্থানীয় কিছু রাজনীতিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যেরও যোগসাজশ রয়েছে।

 

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে। সীমান্ত এলাকার দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৪ কিলোমিটার। জকিগঞ্জ সীমান্তের উল্টো দিকে ভারতের করিমগঞ্জ ও শিলচর এলাকা। দুই দেশের সীমান্তের মধ্যে একটি ছোট নদী আছে। ইয়াবা ব্যবসায়ীরা ওপার থেকে পলিথ।