নজির স্থাপন করলো এসএমপি’র শাহপরাণ (রহঃ) থানা পুলিশ, নেপথ্যে সানাউল

প্রকাশিত: ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২৬, ২০২৫

নজির স্থাপন করলো এসএমপি’র শাহপরাণ (রহঃ) থানা পুলিশ, নেপথ্যে সানাউল

ক্রাইম রিপোর্টার :: সিলেটে নজিযর স্থাপন করলো এসএমপি’র শাহপরাণ (রহঃ) থানা পুলিশ। এর আগে এরকম কোন অভিযান করতে দেখা যায়নি শাহপরাণ (রহঃ) থানা পু’লি’শকে। মাত্র ৪ মাস সময়ের ব্যবধানেই এই অ’ভি’যান পরিচালনা করা হয়। এতে অন্তত প্রায় ১৭ কোটি টাকার অ’বৈ’ধ ভারতীয় মালামাল জ’ব্দসহ আসামী আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। এর নেপথ্যে নেতৃত্ব দেন শাহপরাণ (রহঃ) মাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ সানাউল ইসলাম।

 

অল্পদিনেই তিনি চো’রা’কা’রবারি স’ন্ত্রা’সী দু’র্বৃ’ত্ত’দের ত’ছ’নছ করতে সক্ষম হন। অ’প’ক’র্মকারী রা’ঘ’ব বোয়ালদের শত হু:ম’কি-দ:ম’কি উপেক্ষা করে সততাকে বিসর্জন না দিয়ে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে আজও এই অ’ভি’যা’নের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। দু’র্বৃ’ত্ত’দের কাছে আ’ত’ঙ্কে’র আরেক নাম সানাউল।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিগত ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসের ৫ তারিখ শাহপরাণ (রহঃ) মাজার তদন্ত কেন্দ্রে এসে এসব অ’প’ক’র্মের বি’রু’দ্ধে কার্যক্রম শুরু করেন সানাউল। যেখানে চো’রা’চা’লানরোধে জৈন্তা-গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট থানা পুলিশ ব্যর্থ সেখানে সানাউল ইসলাম ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে এসএমপি পুলিশ কমিশনারের দিক নির্দেশনায় দক্ষিণের ডিসি ও শাহপরাণ (রহঃ) থানার অফিসার ইনচার্জের সহযোগীতায় এই কাজ করতে পুরোপুরি সক্ষম হয়েছেন। এছাড়া তিনি প্রমাণ করতে পেরেছেন পুলিশের নিকট অসম্ভব বলতে কিছু নেই, সৎ পথে থাকলে সবকিছু করা সম্ভব। এটা সমগ্র পুলিশের জন্য গৌরব।

 

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সানাউল ইসলাম মাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে যোগদানের পর সেই এলাকায় অনিয়ম দু’র্নী’তি ও সকল ধরণের স’ন্ত্রা’সী কার্যক্রম শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। দুএকটি রাজনৈতীক অ’প্রী’তি’কর ঘটনা ছাড়া বড় কোন ধরণের অ’নৈ’তিক কর্মকান্ড ঘটেনি। ঘটনার কোন সংবাদ পাওয়া মাত্র তিনি সরেজমিন দৌ’ড়’ঝা’প দিতেন এর প্রতিকার রোধে।

 

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বটেশ্বর, পীরের বাজার ও শাহপরাণ (রহঃ) মাজার এলাকার বেশ কয়েকজন দোকান ব্যবসায়ী প্রতিবেদক’কে জানিয়েছেন নভেম্বর মাসে সানাউল যোগদানের পর ফাঁড়ি এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়েছে। এসময় তারা বলেন, জুলাই গ’ণঅ’ভ্যুত্থা’নের পর জনগণের জানমাল নিরাপত্তায় পুলিশ ভ’য়ে থাকলেও সানাউল ইসলামের সৎ সাহসীকতায় পুরো এলাকার দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। একই দৃশ্যপট বহাল রয়েছে শাহপরাণ (রহঃ) থানা এলাকায়ও।

 

এদিকে শাহপরাণ (রহঃ) থানা পুলিশের একটি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অদ্যবধি পর্যন্ত চো’রা’চা’লান রোধে ৩৬টি নিয়মিত মা’ম’লা রু’জু করেছে শুধু মাত্র ফাঁড়ি পুলিশ। এসব অ’ভি’যানে ৫৫ জন আ’সা’মী আ’ট’ক করা হয়। চো’রা’চা’লানের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের নি’ষি’দ্ধ’কৃত অ’বৈ’ধ ভারতীয় পণ্য সহ প্রা’ণ’ঘা’তী মা’দ’ক। তার হাত থেকে রে’হা’ই পায়নি ডে’ভি’ল হা’ন্ট আ’সা’মী’রাও।

 

 

এ বিষয়ে জানতে শাহপরাণ (রহঃ) থানার অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ঘু’ষ দু’র্নী’তির উর্ধ্বে থেকে আমার পুলিশ কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।

 

আমার কোন পুলিশও যদি অ’প’রাধ করে থাকে তাহলে তাদেরকেও জবাবদিহীতার আওতায় আনতে দ্বিধাবোধ করবোনা।

 

তিনি বলেন পুলিশ কমিশনার স্যারের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। যে কোন ধরণের অ’প’ক’র্ম রোধে পুলিশ সোচ্চার রয়েছে।

 

এসময় তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত মোট ১শ ৩২জন আ’সা’মী শাহপরাণ (রহঃ) থানা পুলিশ আ’ট’ক করে আদালতে প্রেরণ করেছে। মোট মা’ম’লা রু’জু হয়েছে ৬২টি। এই অ’ভি’যান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ